Pages

Sunday, July 28, 2024

সময়ের স্বার্থকতা, নয়তোবা স্বার্থপরতা

 



আমি নিরুদ্দেশ, এই সময় আমার নয়। 

কখনো ভেবে দেখেছেন, এই মুহুর্তে আপনার মন খারাপ হলে, ডিপ্রেশনের কালো বলয় হঠাৎ ঘিরে ধরলে ঠিক  কার কাছে  ছুটে যাবেন? 

কে আপনার একনাগারে বলে ছলা বস্তা বস্তা অভিমান, আভিযোগ চুপ্টি করে শুনবে? 
আর কেই'ই বা গালে দাগ কেটে নেমে আসা অশ্রু রেখার মানে বুঝবে? 

কখনো ভেবে দেখেছেন, 

আপনার আছমকা ভয় লাগলে, চারপাশ টা মিশমিশে অন্ধাকার মনে হলে কে ফোনের অপার থেকে শ্নাত গলায় বলবে- "বাদ দে,  আমি আছি তো!!"

আচ্ছা এমন কী কেউ ছে যাকে আপনার বেখাপ্পা বেলেল্লাপনা, মুঠোভর্তি জেদ, বুকে অহেতুক জমে থাকা পাথরটুকুর হদিস দিতেই হয়? নয়তো আপনার দু'চোখের পাতা এক হয়না। 

একটা বয়সের পর আমাদের হঠাৎ হঠাৎ একাকীত্ব কামড়ে ধরে, মনেহয় এই বুঝি সবকিছুই শেষ হয়ে গেলো, ঠিক তখনই আমার অতিরিক্ত কাউকে সন্ধান করি।মনের মানুষ না আমরা সন্ধান করি কাছের কাউকে খুব কাছের কেউ। যাদের সিকিভাগ বা আধখানা আমাদের মনের মতো না হলেও তার কাছেই আমাদের সমর্পণ থাকে আকাশছোঁয়া। সেই মানুষ টা কে জানেন? কারো কাছে সে একজন বন্ধু, কারো কাছে প্রিয়জন নয়তোবা কারো কাছে তার থেকেও অনেক বেশী কিছু।

তবে এমন একটা মানুষ সকলেই চায়, যে তা মুঠো-ফোনের নেট অফ করার পরও থেকে যাবে দিনের পর দিন এবং বাকীটা সময়ও। যার কাছে বড্ড সহজ হওয়া যায়, রাগ-ঢাক মেনে অতো আট-পৌরে হতে হয়না।যদি এমন কাউকে পেয়ে থাকেন তবে আপনার নিজেকে হারানোর ভয় থাকবে না। আর না থাকবে বিষণ্ণতা, সেই প্রতিটা মুহুর্তেই  ক্ষণে-বিক্ষণে হয়ে উঠবে আপনার জন্য আলোকবর্তিকা। আপনার "Light Which Guides You At Home & Outside Home."


Sunday, July 14, 2024

অচেনা শহর

 অচেনা শহর 

                                            -ইউসুফ আলি 



 কংক্রিটের এই শহরের অলিগলিতে
বিদ্ধস্ত দেয়াল গুলোর অক্ষত কিছু জায়গায় লেখা রয়েছে অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া কিছু নাম,
যেগুলো হৃদয়ের গভীরের গোঙানির শব্দ শুনতে পায় না!!
চোখের জলে ভিজে ভিজে চুপসে যায় অন্তরের বহিরাবণ।
মধ্যরাতে নিঃশব্দে অশ্রু বিন্দু গড়িয়ে পড়ে ভিজে যায় মাথার নিচের শিমুল তুলার কোমল বালিশখানা।
সবকিছুর ভিড়ে চারিদিকে তাকিয়ে ভিন্ন কাউকে দেখিনা,
প্রত্যেকের দিকে তাকিয়ে এক একটি প্রবল আমিত্ব দেখি।
যেখানে, সহস্র মুখস্ত মানুষে গিজগিজ করছে এই শহরের সবগুলো গলির কোনাকানি।
তখন শুধু ব্যার্থতা গুলোই কবিতার ভাষা দেয়, গল্প হয়ে দাঁড়িয়ে যায় বইয়ের পাতায়।
হতাশাগুলো এক একটি অনবদ্য শব্দ হয়ে ঝরে পরে সস্তা খাতায়।
বিষাদ এনে দেয় ছন্দের বৈচিত্র্যের সাথে বিষাক্ত পৃথিবীর।
দুঃখেরা বিরামহীনভাবে চিত্রকল্প জোগান দেয়,
ক্ষনিকেই চিত্রায়িত হয় এক মহাকাব্য। অশ্রুর প্রতিটি ফোঁটা থেকে জন্মায় উপমা আর কাব্যের অলঙ্কারসামগ্রী। কবিতার ছন্দে ছন্দে অন্তরের অন্তরতম পঙক্তিতে আমি খুবই নিঃসঙ্গ;
সবাই-ই বহিরঙ্গের খোঁজ পায় ,
অন্তরঙ্গের আমিটা এখনও অনাবিষ্কৃত..........।

                                          ২১ এপ্রিল, ২০২৪।
                                                    রাত্রি ৩.২৭